ঘুমভাল হওয়ার সেরা ৮ টিপস। ৫ নম্বরটি সত্যিই আপনাকে অবাক করবে।

 ঘুমভাল হওয়ার উপায়। ঘুমভাল হওয়ার সেরা ৮ টিপস

বিভিন্ন রকমের টেনশন, কাজের চাপ, অফিসের নানা বিষয়ে টেনশন, স্বাস্থ্য সম্মত খাবার না পাওয়া এসব কিছুই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। চা, কফি, সুপারি, চকলেট, বেগুন, প্রিজারভেটিভ দেয়া ফুড/খাবার খেলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ১। গুমে সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয় এবং শরীর তরতাজা হয়ে উঠে। কিছু কিছু পদার্থ আছে যা ঘুমের সময় বাড়াতে সাহায্য করে।


ঘুমভাল হওয়ার সেরা ৮ টিপস। ৫ নম্বরটি সত্যিই আপনাকে অবাক করবে।


যেমন- মেলাটনিন পদার্থ যা বয়স্কদের জন্য খুবই প্রয়ােজন। মেলাটনিন দিনের বেলায় কোন কাজ করে না।


১. ভাত, কলা, ভূট্টা, রসুন ও টমেটোতে প্রচুর পরিমানের মেলাটনিন গাকে।

২.  ট্রিপটোফান ঘুমের জন্য খুব উপকারী। দুধ, ছানা, পনির, আম, সানফ্লাওয়ার অয়েল, তিলের তেলে প্রচুর পরিমানে ট্রিপটোফান থাকে।

৩. কলা, আলু, রুটি ইত্যাদিতে সারাটনিন পদার্থ থাকে যা খুম পাড়াতে খুব সাহায্য করে।

৪. বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যেমন- বি-৬, বি-৩ ঘুমের জন্য খুবই উপকারী। মসুর ডাল, আখরােট, তিলের তেল ইত্যাদিতে ভিটামিন বি-৬ আছে। সবুজ শাক, সবুজ সবজিতে প্রচুর পরিমানে বি-৩ ভিটামিন আছে।

৫. দৈনিক খালিপেটে প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। চর্বি জাতীয় খাবার কমাতে বা বাদ দিতে হবে। ডিহাইড্রেশনও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ফল, শাক, সবজি প্রচুর পরিমানে খেলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে ফলে ঘুমও ভাল হয়।

৬. ভিটামিন বি ও সি যুক্ত খাবার বেশী খেতে হবে।

৭. কাজের ফাকে দিনের বেলা কিছুক্ষন ঘুমাতে পারলে নানা উপকার হয়। যেমন- এনা্জি বাড়ায়, চিন্তা শক্তি বাড়ে, মুভ ভাল থাকে। শরীরের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

৮. মহিলাদের মেনস্ট্রয়াল ব্লিন্ডিং শুরু হওয়ার আগে হরমােন জনিত কারনে ঘুমের সমস্যা হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেনস্ট্রয়াল সাইলের কারনে মুমের সমস্যা বেড়ে যায়। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও ঘুম কম হয়।


ঘুমানাের আধা-ঘন্টা পূর্বে স্বল্প ফ্যাটের বা মাখন তােলার পর গরম দুধ খেলে ঘুম ভাল হবে। দৈনিক ৭/৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে কিন্তু কোন ক্রমেই ৮ ঘন্টার বেশী ঘুমানাে উচিৎ নয়। অন্যদিকে, মানসিক চাঁপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত পানি চিকিৎসা গ্রহণসহ নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে ঘুম ভাল হবে। গরম দুধ, লেটুস পাতা, কলা, আলু, ওটমিল ইত্যাদি খেলেও ঘুম ভাল হয়।


[Note: আপনার জন্য ছোট দুইটি স্পেশাল টিপস]


হাই ব্লাডপ্রেসার

লক্ষনঃ দীর্ঘদিন ধরে পেটের সমস্যা এবং পুরাতন রোগ এবং নাড়ীর কাঠিন্য ও স্ুলত প্রভৃতি কারণে শরীরে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে হৃদপিন্ডে অস্বস্তিবােধ, বুক ধড়ফড় করা, মাথাঘােরা, নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ওঠা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। মহৌষধ হলাে আহার নিয়ন। এই রােগের সকালে ও সন্ধ্যায় দু’চামচ করে থানকুনি পাতার রস খেতে হবে ১ মাস, ১ কোয়া রসুন ১টি করে দৈনিক ২ বার ভাত খাবার সময়


খেতে হবে (১৫ দিন পর্যন্ত)। উত্তেজক এবং গরম জাতীয় খাদ্য খাওয়া যাবে না। উত্তেজিত হয়ে উচ্চ সরে কথা বলা উচিত নয়।


লো-ব্লাডপ্রেসার

আমাশয়, ক্ষুধা কম, অন্যানা পুরােনাে রােগ, অজীর্ন, নিউমােনিয়া, রক্তাল্লাতা প্রভৃতি কারণে শরীরে রক্তের চাপ কমে যায়। হদপিন্ড অস্বস্তিবােধ, বুক ধরফড় করা, মাথা ঘােরা, দুর্বলতা, চোখের শক্তি ক্ষীণ হওয়া ইত্যাদি এ রােগের প্রধান লক্ষণ। প্রােটিন, ভিটামিন যুক্ত খাবার খেলে এ রােগের উপকার হবে। হেলে্জার রস ২ চামচ, কলমিশাকের রস ২ চামচ, মধু ২ চামচ এক সাথে মিশিয়ে দৈনিক সকালে খেতে হবে (১ মাস পর্যন্ত)।

Leave a Comment