ব্যাথা জনিত রোগ থেকে মুক্তির কার্যকারী টিপস।

কোমরে ব্যথা ও মেরুদন্ডের সমস্যার সমাধান কি?

স্বাভাবিক ব্যাথা হলে দৈনিক সকালে ও সন্ধ্যা বেলা 8৫ মিনিট ধরে হাটুন। ব্যাথ্য তীব্র হলে হালকা গরম স্যাক দিন ও শক্ত বিছানায় ঘুমান, শক্ত চেয়ারে বসুন এবং দীর্ঘক্ষন এক জায়গায় বসবেন না এবং ঘন্টার পর ঘন্টা হাটাহাটি ও অত্যাধিক পরিশ্রমের কাজ করবেন না। কোমর ব্যাথার সাথে ডায়াবেটিকস থাকলে মিষ্টি ও মিষ্টি ফল খাবেন না। রাতে রুটি খান এবং সকালে ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথে ৪ গ্লাস পানি পান করবেন এবং সকালে, দুপুরে ও রাতে খাবার দুই ঘন্টা পর পর ৩/৪ গ্লাস করে প্রচুর পরিমানে কুসুম গরম পানি পান করুন। এতে সাধারন কোমর ব্যাথা ভাল হয়ে যাবে। অন্যদিকে কোমড়ের হাড় ক্ষয় হলে ডিমের সাদা অংশ ও কযালসিয়ামযুক্ত ও ক্ষয়পুরনকারী খাবার খান। ভাল হয়ে যাবেন।

ব্যাথা জনিত রোগ থেকে মুক্তির কার্যকারী টিপস।

ঘাড় ও কোমড়ের অংশ দিয়ে বের হয়ে আসা স্নায়ু জালিকাগুলাে যথাক্রমে দুই হাত, ঘাড়, মাথা ও শরীরের নিম্নাংশ কোমড়ে সাঙ্গু


সরবরাহ করে থাকে। তাই ঘাড় ও কোমড়ের অংশের মেরুদন্ড অধিকতর গুরুত্বপূর্ন। যারা ঘাড় ও কোমড় বা পিঠের বাযথায়


ভোগছেন তারা সামান্য সচেতন হলে ব্যথামুক্ত থাকতে পারেন। নীচ থেকে কোন জিনিস তুলতে হলে কামড় ভেঙ্গে না বসে হাটু ভাজ করে সােজা হয়ে বসতে হবে। ভারী জিনিস বহন করা ঠিক নয়। যারা দীর্ঘক্ষন দাড়িয়ে কাজ করে তারা পায়ের কাছে একটি নীচু টুল রাখতে পারেন। মাঝে মাঝে এক পায়ের উপর দাড়ান এবং অন্য পা টুলে রেখে বিশ্রাম নিতে পারেন। উচু হিলের জুতা পরা যাবে না। হাটার সময় মেরুদন্ড সােজা রেখে হাটার অভ্যাস করতে হবে। যারা দীর্ঘক্ষন বসে কাজ করেন তারা সব সময় সােজা হয়ে বসবেন। টেবিল ও বসার আসনের উচ্চতা এমনভাবে রাখবেন যাতে লিখতে গেলে বা কম্পিটার ব্যবহারে সামনের দিকে ঝুঁকে থাকতে না হয় এবং উরু সমন্তরালে থাকে। শক্ত ও সমান প্রশস্ত বিছানায় শােবেন, কখনও উপুর হয়ে শােবেন না। ব্যায়াম যােগব্যায়াম করে মেরুদন্ডকে আরও সমান্তরাল করা সম্ভব।


ঘাড়ে ব্যাথা থেকে বাঁচার উপায়:-

দীর্ঘক্ষন কম্পিউটারে কাজ করবেন না বা দীর্ঘক্ষন ঘাড় নিচু/বাকা করে বসে কাজ করবেন না, দীর্ঘ বাস ভ্রমন করবেন না এবং মাথায় ও হাতে ভারী জিনিস বহন করবেন না। গাড় সােজা করে হাটবেন ও যতদুর সন্তব সােজা হয়ে কাজ করবেন। সকাল সন্ধায় ৩০ মিনিট করে হাটবেন। ডিমের সাদা অংশ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। পানি চিকিৎসা গ্রহন করবেন অর্থাৎ ৩৫ নং এ উল্লেখিত পদতিতে পানি পান করবেন


প্যারালাইসিস থেকে বাঁচার উপায়:-

শরীরের জীবনী শক্তি দুর্বল হলে স্পনড়লাইটিসসহ হাড় ও রগের দুর্বলতা ও ক্ষয়ই কালক্রমে পারালাইসিস ডেকে আনে। শীতল বাতাস ও ঠান্ডা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে রক্ত স্বল্পতা থাকলে তা পুরন করুন এবং শরীরের স্নায়ুগুলােতে রােগ থাকলে তার চিকিৎসা নিতে হবে। জীবনে অত্যাধিক ও দৈনিক অতিরিক্ত সময়ে পরিশ্রম কমিয়ে নিতে হবে । ২৮/ ২৯ নং এ উল্লেখিত খাবার খান এবং ৩৫ নং এ উল্লেখিত পদ»তিতে পানি চিকিৎসা গ্রহন করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ৪ গ্লাস কুসুম গরম পানি খান


উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণের উপায়:-

ধমনীতে কোলষ্টলে থাকলে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। তাই চর্বি কোল্টরেল যুক্ত খাদ্যাভ্যাস কমাতে হবে বা ছাড়তে হবে। কিনী দুর্বল হলেও উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। মানসিক নানা চাপ হলেও উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। যারা ব্যালেন্সড খাদ্য খান না, যারা খাদ্য অবিবেচক তারা চামচ ও কাটা চামচ দিয়ে নিজেকে আত্নহত্যা করছে। অধিকাংশ খাদ্যাভ্যাসই বালক বয়সে সৃষ্টি হয় এবং বয়:বৃদ্ধ হলে তা পরিবর্তন করা দুঃসাধ্য হয়। এটা কতইনা ফলপ্রসু হবে যদি মাতা-পিতাগণ বাল্যকাল থেকেই বাচ্চাদের চিনি, লবন ও ভাজি করা খাদ্যের পরিমিত ব্যবহার শিক্ষা দিতে পারেন। খাদ্যে সতর্ক হওয়া এবং ব্যায়ামের, যােগব্যায়ামের ও নিয়মিত হাটার অভ্যাসও একটি উপকারী পন্থা – উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনের জন্য। উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনী, হার্ট, চোখের রেটিনা ও ব্রেইন এর সমস্যা হয়। উচ্চ রক্ষচাপ কমাতে পানি চিকিৎসা গ্রহন করা যেতে পারে। অতিরিক্তি সময় কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সকালে বা সন্ধ্যায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাটতে হবে। চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিহার করতে হবে এবং প্রচুর পরিমানে সবজি ও ক্যামিক্যালমুক্ত মৌসুমী তাজা কম মিষ্টি জাতীয় ফল খেতে হবে। লবন কম খান। রক্তে কোলেষ্টেরেলের আধিক্য থাকলে তা কমাতে হবে, ডায়াবেটিস থাকলে নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমাতে হবে। অন্যদিকে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুঃশ্চিন্তা, হঠাৎ রাগ ও উত্তেজিত হওয়া পরিহার করতে হবে। নিয়মিত আদা, পিয়াজ, রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

Leave a Comment