মানসিক চাঁপনিয়ন্ত্রণের উপায়। টেনশন হতে মুক্তির উপায়।

 মানসিক চাঁপনিয়ন্ত্রণের উপায়

মানসিক চাপে কখনও ধমনীতে খিচুনী ধরে পাকস্থলীতে অল্প ক্ষরণ হয়, কোলেক্টেরল বাড়ে, রক্ত জমাট বাধার প্রবনতা বাড়ে। তাই চাপের পূর্বাভাস বুঝার চেষ্টা করুন। ক্ষেত্র বিশেষে এই চাপ একটু পরিবর্তন করে নিন বা মেনে নিন, সম্ভব হলে এড়িয়ে যান, প্রয়ােজনীয় ক্ষেত্রে সংযত প্রতিবাদ করুন।

মানসিক চাঁপনিয়ন্ত্রণের উপায়। টেনশন হতে মুক্তির উপায়।

চাপকে সর্বদা নেতিবাচক না দেখে ইতিবাচক করার চেষ্টা করুন, গােড়ামী পরিহার করুন। অপরের মতবাদ বুঝতে হবে এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে গ্রহন করলে মানসিক চাপ কমে যায়। ধ্যান, যােগ ব্যায়াম করুন, হাসুন, যাকে ভাল লাগে তার সাথে মনের ভাব ব্যাক্ত করুন। কি কারণে মানসিক চাপ হয়েছে তা বুঝতে চেষ্টা করুন ও নিরুপন করুন দেখবেন আপনার মানসিক চাপ কমে গেছে। সব কাজে আপনি যা ভাবেন তাই ভাল তাই সত্যি এই মনােভাব ত্যাগ করুন, ইতি বাঁচক চিন্তা করুন। সমস্যার গােড়ায় গিয়ে সমাধানের চেষ্টা করুন, বাস্তব সম্মত বােঝাপড়ায় আসুন। আপনার ভুল হলে সংলাপের ধারা বদলে নিন ও মানসিক চাপ থেকে বাচুন, জীবনকে বাচান। মানসিক চাপে রক্তচাপ (ব্লাড প্রেসার), হার্ট এ্যাটাক, গ্যাসটিক, পেপটিক আলসার, বহুমুত্র, অনিদ্রা, ওজনবৃদ্ধি, হতাশা, মাথা ধরা, হাপানি, ভীতি, কাশি, কাধেপিঠে ব্যাথা, এ্যালার্জি, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ইত্যাদি হয়ে থাকে। মানসিক চাপ কমানাের একটি উদাহরণঃ সােজা হয়ে বিছানায় বা পরিস্কার ফ্লোরে শুয়ে পড়ন এবং সবাসনের মত অবস্থান নিন। এবার চোখ বন্ধ করে আপনি যে সকল ছােট/বড় সমস্যায় আছেন তা মনে মনে সাদা কাগজে লেখুন। লেখা শেষ হলে উক্ত লেখা কাগজটি মনে মনে চুলায় কিংবা ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়ে ফেলুন এবং সাথে সাথে আপনি আপনার গৌরব উজ্জল ঘটনাগুলাে মনে করতে থাকুন। এর পর আপনি চলে যান কোন দর্শনীয় স্থানে, ফুলের বাগানে, স্মরনীয় স্থানে ও আনন্দ উচ্জল কোন কাজে অংশ গ্রহণ করতে থাকুন। এ অবস্থায় ৫ থেকে ১০ মিনিট চোখ বুঝা অবস্থায়ই আনন্দ উপভােগ করুন। এভাবে প্রতিদিন সবাসনে অনুরূপ অনুশীলন করুন এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন।


টেনশন হতে মুক্তির উপায়

১। টেনশন হতে মুক্তি পেতে হলে বাড়ীর হয় সে দিকে খেয়াল রাখা দরকার। লােকজনে মিলে রােগীকে সহযােগীতা করা দরকার। অল্প কারণে চিৎকার ও অশান্তি যেন

২৷ টেনশন হতে মুক্তি পেতে হলে সর্বপ্রথম যেটি সবচেয়ে বেশি দরকার তা হল কি কারণে টেশন হচ্ছে সেটা নিখুতভাবে বের করা। যদি সেই সূত্র বের করা যায় বা বের করে নেয়া তা করুন। সাধারণ যে কারণগুলাে হতে টেনশন হয়, সেগুলাে হল ভয় হতে, শরীরের অসুস্থতা হতে, অর্থাভাব হতে, সম্পর্ক নষ্ট ইত্যাদি হতে। এমন পরিবেশ হতে একটু দুরে থেকে টেনশন কমাতে পারেন।

৩।  কাজ নেই এই ভেবে বেকার বসে থেকে কোন লাভ নেই, এতে টেনশন বাড়ে তাই সব সময় একটা না একটা কাজে লেগে থাকা উচিৎ।

 ৪। টেনশন হতে মুক্তি পেতে হলে অবসর সময়ে ভাল বই পড়া, ভাল কাজে সময় ব্যয় করা যেতে পারে। এতেও টেনশন কমতে থাকে। 

৫। শসা, পেয়ারা, আমলকি ছাড়াও খাবারের তালিকায় লাউ, পটল, উচ্ছে, ঝিঙে, মুগের ডাল ইত্যাদি থাকা উচিত। এগুলাে শরীর ঠান্ডা রাখে, এলাে খেলে টেনশন কমে, শরীর ও মন ভাল থাকে।

Leave a Comment